কোচিং না করে বাসায় পড়ছেন? আপনার জন্য কিছু টিপস

অনেকের কাছেই কোচিং করাটাকে সময়ের অপচয় বলে মনে হয়। তারা কোচিং এর চেয়ে বাসায় পড়তেই বেশি স্বাচ্ছন্দ মনে করেন। প্রিলির জন্য অনেকেই রুটিন ও পরামর্শ চেয়ে থাকেন। তাদের জন্য অল্প কিছু পরামর্শ থাকছে। আমি আমার মত কিছু পরামর্শ দিচ্ছি আপনারা চাইলে নিজের মতো সাজিয়ে নিতে পারেন।

১) আপনি হাত –মুখ ধুয়ে শুকনো বিস্কিট, কেক আর পানি খেয়ে পড়তে বসে যান। সকালে যেকোনো পাঠ্যই ভাল মুখস্ত হয়। সেক্ষেত্রে আপনি সকালে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা সাহিত্য, ইংরেজি সাহিত্য পড়তে পারেন।

২) ২/৩ ঘন্টা পড়ে তারপর আপনি সকালের নাশতা সেরে নিন। একটু হাঁটাহাঁটি করুন, ঘরে পায়চারী করতে পারেন। সকালের নিউজটা ও দেখে নিন এক ফাঁকে।

৩) তারপর আবার পড়তে বসুন। এইবার আপনি সাধারণ গনিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়টা নিয়ে বসতে পারেন। একটু সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় আপনি সাধারণ গনিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়টা অনুশীলন করেন। ২/৩ ঘণ্টা অনুশীলন করে আপনি দুপুরের গোসল করা, নামাজ/ প্রার্থনা, খাবার এর পর্বটা সেরে নিতে পারেন। তারপর হালকা ঘুম দিতে পারেন।

৪) দুপুরের হালকা ঘুম থেকে উঠে আপনি একটু হাঁটাহাঁটি/পায়চারি করতে পারেন। তারপর মাগরিবের আগে আর ঘন্টাখানেক আপনি সকালে যাহা পরেছেন তা রিভিশন দিতে পারেন।

৫) তারপর সন্ধ্যা থেকে আপনি ইংরেজি গ্রামার,বাংলা গ্রামার, বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিষয় পড়তে পারেন। মোটামুটি এইভাবে একটা রুটিন আপনার মত করে নিতে পারেন। আশা করছি আপনি সফল হবেন। ইনশা আল্লাহ

৬) রুজির মালিক আল্লাহ। তাই তার সাহায্য প্রার্থনা করুন। তার সাহায্য ছাড়া কোনো কাজই ঠিকভাবে করা সম্ভব নয়। তাই যে যেই ধর্মেরই হয়ে থাকেন প্রার্থনা করুন।

৭) বাবা মায়ের সাথে ভাল ব্যবহার করুন। তাদের দুয়া নিন। এতে মনে প্রশান্তি পাবেন এবং পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে।

৮) কঠোর পরিশ্রম না, বরং চতুর পরিশ্রম করুন। শেষ সময়ে কৌশলী হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে কিছু কৌশল অবলম্বন করে পড়াশোনা করুন।

৯) খাতায় কিছু কিছু একই ধরনের জিনিস লিখে রাখবেন। অংকটা, ইংরেজি বানানগুলো খাতায় লিখে লিখে চর্চা করবেন।মনে থাকবে বেশি

১০) সব কিছু ছন্দ তৈরি করে পড়বেন না। ছোট ছোট কিছু ছন্দ মনে রাখার চেষ্টা করুন। বাকিগুলো বুঝে মুখস্ত রাখুন। ইনশা আল্লাহ সফল হবেন।

Leave a Reply