টেন মিনিট স্কুলে আইইএলটিএসের সুযোগ ২০২২ | IELTS in Ten Minute School 2022

টেন মিনিট স্কুলে আইইএলটিএসের সুযোগ ২০২২

টেন মিনিট স্কুলে আইইএলটিএসের সুযোগ ২০২২:দেশের অন্যতম ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম টেন মিনিট স্কুল উন্মোচন করলো তাদের নতুন আইইএলটিএস কোর্স। এ কোর্সের ইনস্ট্রাক্টর মুনজেরিন শহীদ, যার আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ৮.৫।

তিনি সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। এরই মধ্যে তিনি সহজ কথায় ইংরেজি পড়িয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সবার কাছে।

টেন মিনিট স্কুলে আইইএলটিএস করার সুবর্ন সুযোগ

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি সম্পর্কে মুনজেরিন শহীদ বলেন, ‘যেহেতু এটি একটি পরীক্ষা। তাই রাতারাতি ভালো করার কোনো উপায় নেই। তবে প্রতিদিন একটু একটু করে অনুশীলন করলে ভালো স্কোর করা অসম্ভব কিছু নয়। চারটি সেকশনেই সমান গুরুত্ব দিয়ে কার্যকরভাবে নিয়মিত পড়তে হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষার আগে মক টেস্ট দিতে হবে।’

►► আরো দেখো: নৌবাহিনীতে চাকরির সুযোগ ২০২২
►► আরো দেখোবাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদে চাকরি ২০২২

মুনজেরিন আরও বলেন, ‘অনেকেই জানতে চান অনলাইনে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া যায় কি না। বিশেষত করোনা পরিস্থিতিতে প্রায়ই এ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমি কীভাবে আইইএলটিএসের প্রস্তুতি নিয়েছি, সেই পুরো জার্নি শেয়ার করেছি কোর্সটিতে।’

IELTS in Ten Minute School 2022

টেন মিনিট স্কুল জানায়, আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ভালো করার জন্য টেন মিনিট স্কুলের কোর্সটিতে রয়েছে ৫২টি ভিডিও। যেখানে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কথোপকথন অনুশীলন করার সুযোগ রয়েছে।কোর্সটিতে আরও থাকছে ১৫টি মক টেস্টের সুযোগ। রাইটিং পার্টের জন্য রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নোটস। এরই মধ্যে ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কোর্সটিতে যুক্ত হয়েছেন। কোর্সটির বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এই লিংকে

টেন মিনিট স্কুল এর ইতিহাস

২০১৫ সালে আয়মান সাদিক ১০ মিনিট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।সেই সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর ছাত্র ছিলেন। তিনি সমরূপ অনলাইন শিখন ওয়েবসাইট খান একাডেমী, টেড এবং কোর্সেরা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং ভাবলেন, একই ধরনের কার্যক্রম তিনিও শুরু করবেন।যেখানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সাহায্যের জন্য কোর্সগুলো বাংলায় নেওয়া হবে।প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক ২০১৪ সালে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে ১০ মিনিট স্কুলের কার্যক্রম শুরু করেন।শুরুতে ১০ মিনিট স্কুলের প্রাথমিকভাবে বড় আকারে স্ব-স্পনসরিত কোনও ওয়েবসাইট ছিল না এবং কেবলমাত্র শিক্ষামূলক তথ্য গ্রাফিক্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো হতো।ওয়েবসাইটটি গণিত এবং ইংরেজি ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করা শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত ফেসবুকে লাইভ ক্লাস নেওয়া শুরু করে। ১০ মিনিট স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সম্পূর্ণ একাডেমিক সিলেবাস, সরকারী এবং বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা এবং বিস্তৃত সফ্টওয়্যার এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির বিষয়গুলি জুড়ে দেয়।

তদানীন্তন সংস্থার অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল কার্যক্রম পরিচালিত তহবিলের জন্য উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষক সন্ধান করা, পরে এটি টেলিকম অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) দ্বারা সমর্থিত হয়েছিল।

Leave a Reply