রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি pdf download

0
রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি pdf download

বইঃ রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি
লেখকঃ  মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী

লেখক পরিচিতিঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর জন্মঢাকায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটে এক বছর পড়াশোনা করলেও পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন ।
বিশ্বমানের অসংখ্য জনপ্রিয় থূলার অনুবাদ করার পর অবশেষে তার পর পর পাঁচটি মৌলিক থূলার নেমেসিস, কন্ট্রাক্ট, নেক্সাস, কনফেশন, করাচি, জাল, ১৯৫২ এবং রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি প্রকাশিত হলে বিপুল পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে। সেই অনুপ্রেরণা থেকে বর্তমানে তিনি বেশ কয়েকটি মৌলিক থূলার লেখার কাজ করে যাচ্ছেন।
তার পরবর্তী থূলার উপন্যাস কেউ কেউ কথা রাখে, দেওয়াল, পহেলা বৈশাখ, নেক্সট, এলিভেটর, গ্লুমি সানডে এবং ম্যাজিশিয়ান প্রকাশের আপেক্ষায় রয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি pdf বইয়ের কিছু আংশঃ

গন্ধটা যেনো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো তাকে!
ট্যাক্সিক্যাবের দরজা খুলে মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে টের পেলো বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে অদ্ভুত একটি গন্ধ।এ জীবনে নেয়া যতো গন্ধ আছে তার মধ্যে এটি একেবারেই অজ্ঞাত । এর মধ্যে যে সম্মোহনী ক্ষমতা রয়েছে সেটাও টের পেলো খুব দ্রুত ।
টানা চার-পাঁচ ঘণ্টা ক্যাবে করে ভ্রমণ করার পর এমনিতেই খিদেয় পেট চৌ চৌ করছিলো, প্রলুব্ধকর গন্ধে সেটা যেনো বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়লো এবার । তার থেকে মাত্র বিশগজ দূরে, রাস্তার পাশে রেস্টুরেন্টটি দেখতে পেয়ে সানগ্লাস খুলে ভালো করে তাকালো । সাইনবোর্ডে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে অদ্ভুত আর অপ্রচলিত নামটি । দুই ঠোঁটে চেপে রাখা জ্বলন্ত সিগারেটে জোরে টান দিলো সে। পা বাড়ানোর আগে ট্যাক্সি ক্যাবের দিকে ফিরে তাকালো । ড্রাইভার জানালা দিয়ে মাথা বের করে রেখেছে । তার সাথে চোখাচোখি হতেই মাথা নেড়ে সায় দিলো লোকটি। চলে যাবার ইশারা করতেই হুস্ করে শব্দ তুলে ট্যাক্সিক্যাবটি চলে গেলো ।
তার চোখের সামনে যে রেস্টুরেন্টটি দাঁড়িয়ে আছে সেটা গর্বসহকারেই জানান দিচ্ছে : রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি!
একদম সত্যি কথা । আমিও কখনও এখানে আসতাম না, যদি….
বুক ভরে গন্ধটা নিয়ে সামনের দিকে পা বাড়ালো সে ।
মহাসড়কের পাশে চমৎকার একটি বাংলো বাড়ির মতো একতলার এই রেস্টুরেন্টটির সামনে লম্বা বারান্দা, সেই বারান্দার উপরে সবুজ রঙ করা টিনের ছাউনি । বড় বড় ফ্রেঞ্চ জানালা আর নক্সা করা বিশাল একটি কাঠের দরজা-এক নজরেই জায়গাটা মানসপটে স্থান করে নেবে । রাস্তার পাশে এমন চমৎকার রেস্টুরেন্ট খুব কমই আছে । মহাসড়কের পাশে যেসব রেস্টুরেন্ট থাকে সেগুলো মূলত যাত্রিবাহী বাসের স্টপেজ হিসেবে কাজ করে । বড়বড় বাস সার্ভিস কোম্পানি নিজেরাই কিছু রেস্টুরেন্টের মালিক । ওগুলোর সামনে বিশাল খালি জায়গা রাখা হয় বাস-কোচ পার্ক করার জন্য কিন্তু এই অদ্ভুত…

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি pdf download করুন

ডাউনলোড করুন

Leave a Reply